আপনি কি সালাফী নন?

মাযহাব সমস্যা কেন?

ছবিটি বড় করে দেখার জন্য ক্লিক করুন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

আসসালামু অলাইকুম

কখনই কি চিন্তা করে দেখেছেন??

মানুষ কি ফরজের মালিক?

মানুষ কি ফরজের মালিক?।না আল্লাহ ফরজের মালিক?কারন অনেকেই বলে থাকে ৪ মাযহাবের একটি মানা ফরজ।

৪ইমাম কি মাযহাব প্রতিষ্ঠিতা ?

৪ইমাম কখনই বলেনি তোমরা আমার অনুসরন কর।তারা বলে গেছেন নবী সাঃ ,সাহাবী দের এর অনুসরন করো ।তারা নিজেরাই নবী সাঃ ,সাহাবী দের এর অনুসরন করেছেন।

কিছু লোক এই ৪ ইমাম কে অন্ধ অনুসরন করে যা এই ৪ ইমামদের মত বিরোধী কাজ।

  • ৪ইমাম বলেছেন – যখন হাদীস সহীহ হবে, তখন সেটাই আমার মাযহাব অর্থাৎ হাদীস সহীহ হলে সেটাই আমার মাযহাব বা মত।
  • মাযহাবীদের মধ্যে কিছু লোক দেখা যায় যারা ইমামদের তাক্কলীদ করে অর্থাৎ অন্ধ অনুসরন করে। তারা ইমামদের বক্তব্যকে আসমানী ওহীর মতো মানে।
  • মুসলিম জাতির অনেক লোক এই ৪ ইমাম কে সামনে রেখে মানুষ কে ভিন্ন ভিন্ন দলে ভাগ করেছেন।এর জন্য কি ৪ ইমাম দায়ী?না তা নয় তাদের আমরা সম্মান করি এবং তাদের ঐ কথা কে প্রাধান্য দিই – যখন হাদীস সহীহ হবে, তখন সেটাই আমার মাযহাব অর্থাৎ হাদীস সহীহ হলে সেটাই আমার মাযহাব বা মত।

মাযহাব সংক্রান্ত পৃষ্ঠা পড়ুন

মেশকাত শরীফ – ৩য় খন্ড – সালাউদ্দিন বই ঘর – ১৬৪ নং হাদীস -ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত নবী (সাঃ) বলেছেন বনী ইসরাঈলের যা হয়েছিল আমার উম্মতের অবস্হা  তাই হবে ।যেমন জুতার সাথে জুতা।এমনকি তাদের কেও যদি মায়ের সাথে প্রকাশ্য যেনা করে থাকে তবে আমার উম্মতের মধ্যও এমন নরাধম হবে,যে এ কাজ করে বসবে এ ছাড়া বনী ইসরাঈল ৭২ দলে বিভক্ত হয়েছিল আর আমার উম্মত বিভক্ত হবে ৭৩ দলে ।আর তাদের  ১ টি দল ছাড়া সবাই জাহান্নামে যাবে ।সবাই বলল হে আল্লাহর রাসুল (সাঃ) সেটি কোন দল?উত্তরে হুজুর (সাঃ) বললেন আমি ও আমার সাহাবীগন যে দলে আছি সেই দল।

বিভিন্ন দল হওয়ার পিছনে কারন গুলো কি কি?

  • যত পীর তত দল ” চিন্তা করে দেখুন”।পীরখানা গুলো যারা চালায় তারা এর জন্য দায়ী।

  • যত মাযহাবী গোঁড়ামী তত দল

  • পরা শক্তি এর পিছনে কাজ করে ,কেননা মুসলমানরা এক হয়ে গেলে যদি ক্ষমতায় চলে যায় (কিছু দেশ চাই না মুসলমান এক হয়ে যাক ) শোনা কথা এর পিছনে কিছু টাকাও ব্যায় করা হয়।

  • মুসলমানরা কোরআন ও সহী সুন্নাহ থেকে দূরে।

  • কিছু জাল ও দুর্বল হাদিস নিয়ে তর্ক বা বিরোধ।

  • মানুষদের মধ্য তাকলিদ বা গোড়ামী। মানুষের common  উত্তর – আমি যা এতদিন জেনে এসেছি তা ভুল?তোমরা বেশি জান।এত লোক সব ভুল করছে?আপনি যদি বুখারি বা মুসলিম শরীফের এমন কোন হাদিস বর্ণনা করেন যা মানুষ জানে না, তাহলে তারা বলবে এসব নুতুন কিছু কই পেয়েছ?আমাদের সময় এইগুলো ছিল না।

এ গুলো নিরাময়ের উপায় ?

  • মানুষদের তাকলিদ বা গোড়ামী না করা ।

  • জাল ও দুর্বল হাদিস গুলো অনুযায়ী আমল না করা ।জাল ও দুর্বল হাদিস গুলো নিয়ে তর্ক না করা ।কেন আপনি জাল ও দুর্বল হাদিস অনুযায়ী আমল করে Risk নিবেন?

  • পীরখানা গুলোয় না যাওয়া। (তাদের কবর যিয়ারত করা যাবে)

  • মুসলমানদের কোরআন ও সহী সুন্নাহ মেনে চলা।

  • পরা শক্তি দেরকে নিজেদের মধ্য ঠায় বা প্রশয় না দেওয়া।

  • প্রথমে আমাদের মানতে হবে কোরআন ও সহী হাদিস তারপর ৪ইমাম এর ফতোয়ার গুরুত্ব দিতে হবে।তাহলে সকল মুসলিম এক হয়ে যাবে

  • এই হাদিস এর সঠিক মানে বুঝা – নবী সাঃ ভবিষৎ বানী করেছেন যে আমার উম্মতের মধ্য ৭৩ টা দল হবে। নবী সাঃ কখনই বলেনি তোমরা ৭৩ টা দল বানাও।

শেষ কথা

প্রতিটি দলের মাঝে ৯৫% মিল মাত্র ৫% এদিক আর সেদিক -কেউ Non Muslim থেকে কিছু নিয়েছে , কেউ জাল ও দুর্বল হাদিস গুলো অনুযায়ী আমল করে আর কেউ সহী হাদিস অনুযায়ী আমল করে ।আসুন আমরা সকলে এই ৫% ঠিক করে নিই এবং খাটি মুসলমান হয়ে যায় – আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে সঠিক বোঝার তৌফিক দান করেন এবং আমরা যেন সকল মুসলমান এক হয়ে যায় ,আল্লাহ যেন আমাদের উপর রহম করেন – আমীন

source – http://unityofmuslimummah.wordpress.com/

ট্যাগ মেঘ

%d bloggers like this: